গৌতম রায়: আগের দুটো পর্ব আমরা পার করেছি মূলত ফাঁকিবাজি করে। চলুন এ পর্ব থেকে শুরু করি কাজের আলোচনাগুলো। শিক্ষা কিংবা সামাজিক বিজ্ঞানে গবেষণাকে দুটো ভাগে ভাগ করা যায়- গুণগত (qualitative) এবং পরিমাণগত (quantitative)। গবেষকদের একদলকে শুধু গুণগত গবেষণাকে প্রাধান্য দিতে দেখা যায়, অপরদিকে আরেকদল প্রাধান্য দেন পরিমাণগত গবেষণাকে। মাঝখানে আরেকটি দল আছে যারা দুটোকেই মিশিয়ে গবেষণার পদ্ধতি নির্ধারণ করেন। গুণগত গবেষণা এবং পরিমাণগত গবেষণা নিয়ে নানা সময়ে নানা ধরনের বিতর্কও শোনা যায়- যদিও এসব বিতর্ক এক অর্থে অর্থহীন; কারণ দুটো পদ্ধতিরই সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে, শক্তিশালী ও দুর্বল দিক রয়েছে। তবে গবেষণার উদ্দেশ্য অনুসারে একটি নির্দিষ্ট গবেষণার জন্য কোন পদ্ধতি সবচেয়ে উপযুক্ত, সেই বিষয়ে এবং ওই নির্দিষ্ট গবেষণার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বিতর্ক করা যেতে পারে।
পরিমাণগত গবেষণা কেন? গুণগত গবেষণার সাথে এর পার্থক্য কোথায়?
যখন আমরা কোনো একটি নির্দিষ্ট গবেষণার বিষয়ে চিন্তাভাবনার প্রাথমিক কাজগুলো করি, তখনই মূলত সিদ্ধান্ত নিতে হয় এই গবেষণা থেকে ঠিক আমরা কী বের করতে চাই। উদাহরণস্বরূপ, গবেষণা থেকে নিচের বিষয়গুলো বের করা যেতে পারে: