মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি বলার চর্চা

মুহম্মদ মাছুম বিল্লাহ: আমাদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইংরেজি বলার চর্চা কতটা হচ্ছে- এ প্রশ্নের উত্তর অনেকটাই বড় ’না’ বোধক হবে। শিক্ষক যখন ইংরেজি পড়ান তিনি কি তখন ইংরেজি বলেন? তিনি ইংরেজি বলেন না কারণ কেউ কেউ মনে করেন ইংরেজি বললে শিক্ষার্থী তার কথা বুঝবে না। আসলে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বলা উচিত কারণ কৈশোরে বয়সের শিক্ষার্থীরা যতটুকু শুনবে ততটুকু মনে রাখতে পারে। তার অনুকরণপ্রিয়। শিক্ষক যা করবেন, তারাও তাই করবে, শিক্ষক যা বলবেন তারাও তাই বলবে। আমার মনে আছে আমি প্রায়ই ক্লাসে ইংরেজি বলতাম। ছাত্রছাত্রীরা মজা করে বা ব্যঙ্গ করে, অনুকরণ করে হোক কিংবা বয়সের কারণেই হোক, তার ঐ শব্দগুলো বলতো। অর্থাৎ শব্দগুলোর ব্যবহার তারা শিখেছে। এভাবে শিক্ষক যখন তাদের ইংরেজিতে কোনো বাক্য জিজ্ঞেস করবে, তখন তারা বাক্যটি শিখে ফেলবে এবং বাস্তবজীবনে ব্যবহার করতে শিখবে। তারা জেনেছে কোন অবস্থায় এই বাক্যটি ব্যবহার করতে হয়। মাতৃভাষা ব্যতীত অন্য কোন দ্বিতীয় ভাষা শিখার এটি একটি উৎকৃষ্ট উপায় ।

এভাবে ইংরেজি শিখার ফলে একদিকে যেমন ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর এবং শিখনবান্ধব করে অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী, সাহসী করে তোলে এবং সর্বোপরি ইংরেজি ভাষা মূলত যে জন্য আমরা শিখি সেই উদ্দেশ্যগুলোও সফল হবে। আর ক্লাসে যখন এ ধরনের পরিবেশ বিরাজ করে যে, ছাত্র-শিক্ষক এক বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ শিখন-শেখানোর কাজ করছেন, তখন শিক্ষার্থীরা সব সময়ই আকর্ষণ থাকবে ক্লাসের দিকে। তার ঐ বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ থেকে নিজকে দূরে রাখতে চাইবে না অর্থাৎ ক্লাসে থাকার কিংবা আসার জন্য উদগ্রীব থাকবে। শিক্ষক কোন অবস্থায় কী বাক্য ব্যবহার করতে হয়, কোন বাক্যে কি ধরনের শব্দ ব্যবহার করতে হয় তা শিক্ষার্থীরা ক্লাসে স্পোকেন ইংরেজির মাধ্যমেই শিখে ফেলবে, আলাদা বই থেকে অবাস্তব অবস্থা থেকে মুখস্থ করবে না।

Continue reading

Posted in ভাষা শিক্ষা, মাধ্যমিক, শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়া | Tagged , , | Leave a comment

মাহতাবের একদিন: একজন শিক্ষার্থীর জীবন থেকে নেওয়া

মুশফিকুর রহমান: মায়ের আদুরে গলার ডাকে ঘুম ভাঙ্গে মাহতাবের। ঘুম ভাঙ্গে কিন্তু চোখও খুলে না, সারাও দেয় না। এখন চোখ খোলা মানে বিছানা ছাড়া। ঘুম ভাঙ্গার পর এক মুহূর্তও বিছানায় থাকার অনুমতি নেই। মায়ের ডাকে বুঝতে পারে ভোর হয়েছে কিন্তু এই শীতের ভোরে কিছুতেই বিছানা ছাড়তে ইচ্ছে হয় না।

মায়ের মত মা ডেকেই যাচ্ছে, মাহতাব না শোনার ভান করে বিছানায় শুয়েই আছে। মাহতাব তার অতীত অভিজ্ঞতা থেকে জানে মা এভাবে দশ মিনিট ডাকবে। এরপর পাঁচ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার আসবে। তখন ডাকের সাথে থাকবে বকা। এ হল নিত্যদিনের নৈমিত্তিক ঘটনা। এই সময়ে মাহতাব মায়ের উপর বিরক্ত হয়। আহা! কত সুন্দর স্বপ্নটা ভেঙ্গে গেল। মাত্রই বল নিয়ে বিপক্ষ দলের গোলবারের কাছে চলে এসেছিল। শট করাটা বাকি আর মিনিট খানিক সময় পেলেই রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়েই দিত। ঠিক সেই সময়েই মায়ের ডাক। কাহাতক আর সহ্য করা যায়?

Continue reading

Posted in বিভাগহীন | Leave a comment

সাধারণ জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে কিভাবে ইংরেজি পড়াবেন?

মুহম্মদ মাছুম বিল্লাহ: আমরা যখন ভাষা শিখি কিংবা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে শেখাই, পারিপার্শ্বিক বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো উপেক্ষা করতে পারি না। বরং ঐ ঘটনাগুলো বার বার আমাদের নাড়া দেয়, আমাদের নিত্যদিনের পাঠদানকে প্রভাবিত করে। দৈনন্দিন কার্যাবলী করার সময়ে এবং ক্লাসে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আলোচনা করি, না করে পারি না কারণ সচেতন মানুষ হিসেবে এটি প্রাকৃতিক তাগিদ এবং চাহিদা। এই আলোচনাগুলোকে আমরা ইংরেজি শেখানোর কাজে লাগাতে পারি।

যেমন এই সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘটে গেছে বেশ কয়েকটি ঘটনা (আগস্ট ২০১১)। এ ঘটনাগুলো আমরা রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানি, উত্তেজিত হই, রিঅ্যাক্ট করি, মতামত প্রকাশ করি, আলোচনা, সমালোচনা করি, পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলি, ডিবেট করি এগুলো নিয়ে। এই বিষয়গুলোই আমরা ভাষা শিখানোর ক্লাসে এবং গ্রামার শেখানোর ক্লাসে কাজে লাগাতে পারি। এতে কয়েকটি প্রত্যক্ষ উপকার হবে।

Continue reading

Posted in দক্ষতা ও উন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা, শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়া | Tagged , , | Leave a comment

ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা

রাসেল: ব্যক্তিগত চৌহদ্দি আর সামষ্টিক চৌহদ্দির ভেতরের তফাতগুলো রাষ্ট্রের বিদ্যমান ব্যবস্থায় কিভাবে অন্তর্ভুক্ত হয় আসলে? ধরা যাক একজন মৌখিকভাবে তার পুত্র কিংবা কন্যাকে ত্যাজ্য ঘোষণা করলো- কিংবা তার অভিভাকত্বের দাবী অস্বীকার করলো সমাজের সামনে। তার পরিজন জানে পিতা এবং সন্তানের ভেতরের এই বিরোধ এবং পিতার সিদ্ধান্তের কথা- কিন্তু রাষ্ট্র কি এই মৌখিক অস্বীকৃতিটুকু আমলে আনতে পারবে কখনো? ধরা যাক সেই লোক কোনো উইল না করেই মৃত্যু বরণ করলো এখন ত্যাজ্য পূত্র যদি তার পিতার সম্পত্তির উত্তরাধিকার দাবী করে, রাষ্ট্র কি সে অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করব? রাষ্ট্রের কি এটা করা উচিত হবে? রাষ্ট্রের বিদ্যমান আইনের কাঠামোতে যদি এমন কোনো স্পষ্ট ঘোষণা না থাকে তাহলে সন্তানের উত্তরাধিকার সূত্রেই পিতৃসম্পদের উপর অধিকার জন্মায়।

মানুষ ব্যক্তিগত জীবনে কোন না কোনো গাত্র বর্ণের প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখাতে পারে, চেহারার সৈন্দর্য্যের উপরে বাড়তি গুরুত্ব আরোপ করতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্র কি তার বিধানে এমন কোনো গাত্রবর্ণের প্রতি আলাদা পক্ষপাতিত্ব দেখাতে পারবে? যুক্তরাষ্ট্রে একটা আইন প্রণীত হয়েছিলো অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে যেখানে বলা হয়েছিলো যদি কোনো শেতাঙ্গ কোনো কৃষ্ণাঙ্গকে শিক্ষা প্রদান করে তবে সেটা অপরাধ এবং এ অপরাধের জন্য তার ১০০ ডলার জরিমানা দিতে হবে উপরন্তু তাকে৬ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হবে। কোনো কৃষ্ণাঙ্গ যদি কোনো কৃষ্ণাঙ্গকে শিক্ষা দেয় কিংবা এমন কোনো প্রকল্প গ্রহন করে তবে তারা বরাদ্দ শাস্তি ১০০ ঘা চাবুক।

Continue reading

Posted in ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার নীতি | Tagged , , | Leave a comment

বিদ্যালয়ে ডোনেশন প্রথা বন্ধ করার দায়িত্ব সরকারের

গৌতম রায়: নারী সাংবাদিকের ওপর সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদারের চড়াও হওয়ার ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ে ডোনেশন প্রথার বিষয়টি বেশ আলোচনায় এসেছে। বিদ্যালয়ে ডোনেশনের মাধ্যমে ভর্তির বিষয়টি এখন লুকোছাপার বিষয় নয়, বরং ঢাকার বিদ্যালয়গুলো ঘোষণা দিয়েই অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রতি বছর বড় অংকের টাকা ডোনেশন নিচ্ছে। সাধারণত ডোনেশনের দুটো পদ্ধতি দেখা যায়- এক, বড় অংকের টাকা ডোনেশন দিলে ছাত্র বা ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়; দুই, যারা এমনিতেই ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে তাদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে কিছু টাকা ডোনেশন হিসেবে নেয়া হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম বা বড় শহরের বিদ্যালয়গুলোতে ডোনেশন মোটামুটি চালু এবং সবার জানা বিষয়। ফলে সরকার ঢাকার বিদ্যালয়গুলোর জন্য সর্বোচ্চ ফি পাঁচ হাজার টাকা এবং ঢাকার বাইরের বিদ্যালয়গুলো তিন হাজার টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল।

ঝামেলাটা বেঁধেছে এজন্য যে, বিদ্যালয়গুলো সরকার-নির্ধারিত পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে অভিভাবকদের কাছ থেকে এবং সেটা ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু বিদ্যালয় অতিরিক্ত টাকা নেয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে রেখেছে, তবে জানিয়ে রাখা আর অনুমতি নেয়া সমার্থক কিনা তা অবশ্য জানা যায় নি। কামাল আহমেদ মজুমদারের ঘটনাটি না ঘটলে বিষয়টি এতোটা হাইলাইটেডও হতো কিনা সন্দেহ! এ ঘটনার পর শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষাসচিব ঢাকার অনেকগুলো বিদ্যালয়ের সাথে বৈঠক করেছেন, তবে তাতে শেষ পর্যন্ত সুরাহা হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।

Continue reading

Posted in অর্থায়ন, ব্যবস্থাপনা, ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষাব্যবস্থা | Tagged , , , | Leave a comment

ফাইনাল পরীক্ষা মানেই কি তিন ঘন্টার বহুসংখ্যক রচনামূলক প্রশ্ন সম্বলিত লিখিত পরীক্ষা?

আহ্‌মদ ইকরাম আনাম : কালে কালে তো পরীক্ষা আর কম দেয়া হয়নি। শিক্ষাজীবন মানেই পরীক্ষা আর পরীক্ষা। ক্লাস ঠিক মত হোক আর না হোক, পরীক্ষা খুব ঠিকমতই হয় সর্বদা। ছোট পরীক্ষা, বড় পরীক্ষা আর মাঝারি পরীক্ষার অভাব শিক্ষাজীবনে হয় না। আজকে পরীক্ষার ব্যপ্তি নিয়ে লেখার নিয়তে লিখতে বসেছি। দেখি কত দূর কী লিখতে পারি!

স্কুলে এবং কলেজে আমরা যে পরীক্ষাগুলো দিয়েছি তার কতগুলো ভাগ রয়েছে। ক্লাস চলার মৌসুমে ৫ মার্কস, ১০ মার্কস বা ১৫ মার্কসের যে পরীক্ষা আমরা দিয়েছি তাকে বলে ক্লাস টেস্ট বা শ্রেণী পরীক্ষা। এরকম প্রতি বিষয়ের জন্য ২-৩ টি বা অনেক স্কুলে ৪-৫ টি শ্রেণী পরীক্ষা হয়। পরে ১ম সাময়িক, অর্ধ-বার্ষিক বা বার্ষিক পরীক্ষায়, শ্রেণী পরীক্ষায় প্রাপ্ত মার্কস নানা কায়দায় যোগ করা হয়। কোথাও একাধিক শ্রেণী পরীক্ষার মার্কসের গড় যুক্ত হয়, কোথাও বেস্ট ২ টা পরীক্ষার মার্কস নেয়া হয়, আবার কোনো কোনো স্কুল-কলেজে শ্রেণী পরীক্ষার মার্কসের একটা নির্দিষ্ট শতাংশ চূড়ান্ত পরীক্ষার সাথে যুক্ত হয়। শিক্ষা মূল্যায়নের ভাষায় এই ক্লাস টেস্টকে বলা হয় ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্ট আর চূড়ান্ত পরীক্ষা অর্থাৎ বার্ষিক বা অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষাকে বলা হয় সামেটিভ অ্যাসেসমেন্ট। স্কুল-কলেজে ক্লাস টেস্ট বা ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্ট হয় একটা বড় প্রশ্ন বা একাধিক ছোট প্রশ্নের সমন্বয়ে। মাঝে মাঝে শিক্ষকগণ বহুনির্বাচনী ধরণের প্রশ্নেও এ পরীক্ষা নেন। ক্লাস টেস্টের ব্যপ্তি হয় এক ঘন্টা বা ৪৫ মিনিট। এখানে খুব বেশি লিখতে হয় না।

Continue reading

Posted in পরীক্ষা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা, পরীক্ষা ব্যবস্থা, বিভাগহীন, মূল্যায়ন | Tagged , , , , | Leave a comment

শিক্ষিত বেকারদের নিয়ে কিছু কথা

মুহম্মদ মাছূম বিল্লাহ: শিক্ষা মানুষকে দেয় আলো এবং সম্মুখে চলার পথ। শিক্ষা যখন আলো দানের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের অন্ধকারে নিক্ষেপ করে তখন আমরা আসলে কাকে দায়ী করব? শিক্ষার্থীদের, না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে, না অভিভাবকদের, না শিক্ষাব্যবস্থাকে না রাজনৈতিক নেতৃত্বকে? আসলে কমবেশী সবাই দায়ী।

ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের দেশ আমাদের বাংলাদেশ। পরিস্থিতি যে কত ভয়াবহ তা বিভিন্ন পরিসংখ্যান এবং চিত্রের মাধ্যমে বুঝা যায়। আমরা যখনই কোনো নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষা নিতে যাই, তখন দেখা যায় শিক্ষিত বেকারদের কী করুণ হাল। হাজার হাজার নয়, লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার ঘুরে বেরাচ্ছে চাকুরি নামক সোনার হরিণের পিছনে। এই হরিণ ধরার জন্য একশটি পদের বিপরীতে কয়েকশ কিংবা কয়েক হাজার প্রার্থী এসে হাজির হয়, সবাই উচ্চশিক্ষিত। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর তারা হয় বাবা-মার উপর কিংবা টিউশনি বা এ ধরনের কিছু অস্থায়ী পেশার উপর নির্ভর করে চলছে। কোথায় তাদের ভবিষ্যত, কোথায় দেশকে কিছু দেয়ার চিন্তা আর কোথায় সুকুমার বৃত্তি কিংবা দেশ সেবার চিন্তা। শুধুই বেঁচে থাকার সংগ্রাম। এই চিন্তাই তাদের আচ্ছন্ন করে রাখে সর্বক্ষণ। তাদের চোখে মুখে ফুটে উঠে, যে দেশ তার নাগরিকদের তেমন কিছু দিতে পারে না, সে দেশের নাগারিকগণও সে দেশকে তেমন কিছু দিতে চায় না বা পারে না ।

Continue reading

Posted in বিভাগহীন | Tagged , , , | Leave a comment

মাদ্রাসা শিক্ষা প্রসঙ্গে

রাসেল: জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো: (ক) শিক্ষা ও বিদ্যালয়ের প্রতি শিশুর আগ্রহ সৃষ্টিমূলক ও সুকুমার বৃত্তির অনুশীলন, (খ) অন্যদের প্রতি সহনশীলতা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য শৃঙ্খলাবোধ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় কতৃক পরিচালিত সকল ধর্মের শিশুদেরকে তাদের স্ব স্ব ধর্মের উপাসনালয়ে প্রদত্ত ধর্মীয় জ্ঞান ও অক্ষরজ্ঞানসহ আধুনিক শিক্ষা ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদানের কর্মসূচি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

এই শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে তোলা যাদের ভেতরে সুনাগরিক গুণাবলী বিকশিত হবে, তারা পরধর্মসহিষ্ণু হবে, পারস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এবং নিজের জীবনে ধর্মীয় নৈতিকতার ব্যবহার করতে শিখবে সেক্যুলার রাষ্ট্র নির্মাণের যোগ্য নাগরিক গড়ে তুলবে। ২০০৯ সালের প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি- এবং সেই সেক্যুনাল রাষ্ট্র নির্মিত হবে মন্দির, মসজিদ প্যাগোডায় ধর্মীয় জ্ঞান ও নৈতিকতার শিক্ষাপ্রদান করে।

Continue reading

Posted in মাদ্রাসা | Tagged , | Leave a comment