গৌতম রায়: বাজেট-পূর্ব মওসুম চলছে। ধারণ করি, অর্থমন্ত্রীর কাছে দাবিদাওয়ার মোক্ষম সুযোগটি যাতে হাতছাড়া না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাই তৎপর হয়েছেন। এ লেখাটিও সেরকমই একটি দাবিদাওয়া-সমৃদ্ধ লেখা হতে যাচ্ছে। আগে সাধারণত বাজেট-বক্তৃতার দিন পনের আগে পত্রিকায় কলাম লিখে অনেকে নানা দাবি জানাতেন। একমাত্র বিড়ি-সিগারেট বা তামাকজাত দ্রব্যাদি ছাড়া কোনো বিষয়ে দাম বাড়ানোর জন্য কাউকে আবদার করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদেরকে পণ্যে করহ্রাসের জন্য সভা-সমিতি থেকে শুরু করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে অর্থমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাতেও দেখা গেছে। এতোসব দাবিদাওয়ার মধ্যে অর্থমন্ত্রী কোনটি রাখবেন আর কোনটি বাদ দিবেন- সেটি তাঁর ও তাঁর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাজেট-বক্তৃতার দিন পনের আগে পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া লেখার কোনো আবেদন থাকে না আসলে। খুব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছাড়া বাজেটের অধিকাংশ বিষয় তার আগেই নির্ধারিত হয়ে যায়। যে কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বাজেট বক্তৃতার প্রায় মাসখানেক আগে থেকেই অনেককে দাবিদাওয়া পেশ করতে দেখা যাচ্ছে।
এই নিবন্ধের লেখক প্রতিবছর বাজেট বক্তৃতার আগে অর্থমন্ত্রীর কাছে রুটিনমাফিক কিছু আবেদন পেশ করেন। বিষয় শিক্ষায় বেশি বাজেট বরাদ্দ। যেহেতু আগের বছরের বাজেটে লেখকের চাহিদার প্রতিফলন ঘটে না, সুতরাং পরবর্তী বছর বাধ্য হয়ে সেই পুরনো চাওয়া আবার নতুন করে লিখে পত্রিকা-মারফত অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয়। আশা, যদি লেখাটি অর্থমন্ত্রীর নজরে আসে এবং তিনি একটু গুরুত্ব দেন।
বিস্তারিত


সাম্প্রতিক মন্তব্য