বাংলাদেশের শিক্ষা - ছোট
বাংলাদেশের শিক্ষা - ছোট


মুহম্মদ মাছুম বিল্লাহ: ১৯৯৮ সালে আমাদের সিলেবাসে কমিউনিকেটিভ ইংলিশ চালু করা হয় এই উদ্দেশ্যে যে, গ্রামার ট্রানস্লেশন মেথড শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী ইংরেজি শেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই তাদের কমিউনিকশেন স্কিল বাড়াতে হবে একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার নিমিত্তে। গ্রামার ট্রানস্লেশন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীর ভূমিকা ছিল নিস্ক্রিয়। ক্লাস চলাকালীন তাদের নীরব ভুমিকা পালন করতে হতো এবং শুধু লেখার ক্ষেত্রে তারা কিছু্টা সক্রিয় থাকত। সেটাও সীমাবদ্ধ ছিল তাদের গ্রামার লেখা নিয়ে। এভাবে পাঠদানের অধিকাংশ সময়ই তারা নিস্ক্রিয় থাকতো বলে কমিউনিকেশনের দক্ষতা তাদের বৃদ্ধি পেত না। শিক্ষক শুধু লেকচার দিতেন আর দু-একজন শিক্ষাথী শুধু দুই একটি প্রশ্ন শিক্ষকদের করতো, এছাড়া তেমন কোন সক্রিয় অংশগ্রহণ তাদের ছিল না। ক্লাস যত বেশী নীরব থাকত শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী এবং অন্যান্যরা ভাবতেন যে, খুবই ভালো ক্লাস হচ্ছে কারণ ক্লাসে কোন হৈ চৈ নেই, শব্দ নেই। এভাবে ছাত্রশিক্ষকের মধ্যে যে ব্যবধান সৃষ্টি হতো তা তাদের সহপাঠীদের সাথে দক্ষতার ব্যবধান সৃষ্টি করতো। কমিউনিকেটিভ ইংলিশ সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার তাগিদ দেয় কারণ শিক্ষার্থীদের ভাষা ব্যবহার করতে হবে ক্লাসে, তবেই তারা ইংরেজি শিখবে। আর এটি করতে গিয়ে ক্লাসে গোলমাল হয়, তখন স্কুল অথরিটি এবং কমিউনিকেটিভ ইংলিশ সম্পর্কে যেসব শিক্ষকদের ধারণা নেই তারা এটিকে গোলমেলে ক্লাস বলে থাকেন। ব্যাপারটি কি আসলেই তাই?

কমিউনিকেটিভ ল্যাংগুয়েজ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা শুধু স্পিকিং এবং রাইটিং-এর মতো প্রোডাকটিভ দক্ষতাই অর্জন করে না, তারা রিসেপটিভ স্কিল যেমন লিসেনিং এবং রিডিং স্কিলও অর্জন করে। কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে হচ্ছে কী? তারা কি বাস্তব জীবনে কমিউনিকেশন দক্ষতা অর্জন করছে? কমিউনিকেটিভ ল্যাংগুয়েজ টিচিং-এ শিক্ষকের কাজ হচ্ছে দ্বিতীয় ভাষায় পরীক্ষানীরিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যস্ত রাখা যার মাধ্যমে তারা যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করবে ক্লাসরুম এবং ক্লাসরুমের বাইরে। ক্লাসরুমে এমন সব কার্যাবলীর অবতারণা করবেন শিক্ষক যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তবজীবনে কমিউনিকেশনের সুযোগ পায়। একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে কথা বলে কমিউনিকেশন করবে ইংরেজির চারটি স্কিল ব্যবহার করে।

ধরে নেয়া হয় যে, কমিউনিকেটিভ ইংলিশ ক্লাসে শিক্ষক সব সময় শিক্ষাথীদের মাতিয়ে রাখবেন, ব্যস্ত রাখবেন, নিজে ইংরেজি বলবেন, শিক্ষার্থীদের বলাবেন। এই চিন্তা অনেকটাই বাস্তব থেকে দূরে। কারণ একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে প্রতিদিন ৬ থেকে ৭টি ক্লাস নিতে হয় এবং শুধু ইংরেজি ক্লাস নয়, অন্যান্য বিষয়েরও। স্বভাবতই তার মনমানসিকতা এমনিতেই একটু বিষানো থাকে। তার পক্ষে খুব মজা করে ইংরেজি ক্লাস পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। দ্বিতীয়ত, অনেক ইংরেজি শিক্ষকের পক্ষেই ইংরেজি বলা বা শুদ্ধ করে লেখা সম্ভব হয় না। কারণ শুধু গ্রাজুয়েশন লেভেলে ১০০ বা ৩০০ নম্বরের ইংরেজি পড়লে ইংরেজির ভিত মজবুত না হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। ইংরেজিতে যারা অনার্স পড়েন তারা সবাই মাধ্যমিক শিক্ষকতায় এখনও সেভাবে আসছেন না। ক্লাস খুব ফলপ্রসু হবে, শিক্ষক ক্লাসকে আনন্দময় ও ফলপ্রসু করবেন- এই বিষযগুলোর ওপর ভিত্তি করে ’ইংলিশ ফর টু ডে’ লেখা হয়েছে । কিন্তু এখানে এমন কোন মজার গল্প নেই যে, শিক্ষাথীরা মজা পাওয়ার আশায় গল্পটি পড়বে এবং ইংরেজি শিখবে কিংবা কোন টিচার ব্যস্ত থাকলেও একটু মজা দিতে পারবে ক্লাসে। পুরোটাই টিচারকে বানাতে হবে যদি কোন মজা দিতে হয়, যেটি সম্ভব হচ্ছে না। আর তাই শিক্ষাথীদের অবস্থার উন্নতি তো হয়ই নি বরং অনেক ক্ষেত্রে আরও পেছনে চলে গেছে। তারা verb ছাড়া বাক্য তৈরি করছে, কোথায় কোন verb বা auxiliary verb ব্যবহার করতে হবে তা তারা জানছে না এবং অনেক ক্ষেত্রে জানার প্রয়োজনও হচ্ছে না। নম্বর পেয়ে যাচ্ছে আর খুশি হচ্ছে। দু-একটি উদাহরণ দিলে বুঝা যাবে তাদের ইংরেজির বাস্তব অবস্থাটা কী? আমি ঢাকার শিক্ষার্থীদের দেখছি তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্যাসেজ যেটি বার বার পরীক্ষায় আসে তার প্রশ্নের উত্তর দিচেছ এভাবে-

প্রশ্ন: Why was the National Memorial built at Savar? কেউ কেউ উত্তর লিখেছে National memorial build savar freedom fighters sacrifice. আবার কেউ কেউ লিখেছে National memorial built for sacrifice. ছোট হাত, বড় হাত, ক্রিয়ার ব্যবহার এগুলোর কোন বালাই নেই। তারা বুঝতেই পারছে না কোথায় ভুল করছে। এটি হচ্ছে ঢাকার নামকরা দুটি স্কুলের শিক্ষাথীদের অবস্থা। প্যাসেজটি তারা বার বার করেছে। নতুন একটি প্যাসেজ দিলে যে অবস্থা হবে তা সহজেই অনুমেয়। এবার ঢাকার অন্য একটি স্কুলের এক শিক্ষার্থী মোটামুটি ভালো বলে পরিচিত স্পিকিং স্কিল দেখার জন্য নিচের প্রশ্ন দুটো করেছিলাম। প্রথমটি সে বলছে স্যার এটার অর্থ কি? দ্বিতীয়টি সে বার বার বলার চেষ্টা করছে এবং এক পর্যায়ে বাংলায় বলেছে। ইংরেজিতে যতটুকু বলেছে তা হচ্ছে I have only brother.

(1) How did you do in the first term examination?

(2) How many brothers and sisters do you have ?

ঢাকার বাইরে সিলেটের একটি স্কুলে নবম শ্রেণীর ক্লাসে শিক্ষার্থীরে জিজ্ঞেস করেছি নিচের প্রশ্ন দুটি। ৩৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনও উত্তর দিতে পারে নি অর্থাৎ তারা বুঝে নি। যখন তাদের শিক্ষর বাংলায় বলে দিলেন যে আমি কি প্রশ্ন করেছি তখন একজন ছাত্র জবাব দিল’ থারটি এইট’। প্রশ্নগুলো হচ্ছে-

(1) How many students are there in your class?

(2) How do you like English?

ছাত্রছাত্রীরা একটি প্যাসেজ পড়তে পারে না তবে দ্রুত উত্তর দিতে পারে। উত্তরগুলো সত্য মিথ্যা। কিছু লিখতে দিলে তারা লিখতে চায় না। কমিউনিকেশন তারা মুখে করতে পারছে না, লিখে করতে পারছে না। বইয়ে দেয়া প্যাসেজ তারা বুঝতে পারছে এবং ট্রু, ফলস ও মাল্টিপেল চয়েস প্রশ্ন তারা মোটামুটি পারছে। অবশ্য বুঝা যেত অন্য কোন সূত্র থেকে যদি একটি প্যাসেজ দেয়া হতো। প্যাসেজগুলোর উত্তর বাজারের নোট ও গাইডে সব করে দেয়া আছে, শিক্ষার্থীর ওগুলো বারবার করছে আর তাই মোটামুটি পেরে যাচ্ছে। একই প্যাসেজ তারা দিনের পর দিন করছে, তাই পারছে। গ্রামার ট্রানস্লেশন মেথডে মাঝারি শিক্ষার্থীরা একেবারেই কোন কমিউকেশন করত না, শুধু লেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, এবং সে লেখা শুধু নোট থেকে নেয়া। কমিউনিকেটিভ ইংলিশে তাদের লেখার দক্ষতা একেবারেই বাড়ছে না। লেখার অংশটি এখনও গ্রামার ট্রানস্লেশন বা ট্রাডিশনাল মেথডেই রয়ে গেছে। তবে ছাত্ররা একটি রাইটিং অংশ নিয়ে নাড়াচাড়া করে কিছুটা বুঝতে পারছে। এতটুকুই ফল হয়েছে। অন্য তিনটি স্কিলে তেমন কোন পরিবর্তন এখনও আনা সম্ভব হয় নি।

কমিউনিকেটিভ ইংরেজির দুর্বল দিকগুলো কী কী?

(১) শিক্ষার্থীরা পূর্ণ ইংরেজি শিখছে না। তারা একটি কিংবা দুটি বাক্যের উত্তর লেখা শিখছে তাও নিজেরা করছে না। ফলে ভাষা ব্যবহারের ক্ষমতা অর্জন করতে পারছে না ।

(২) অলস হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। তারা বেশী পড়তে চাচ্ছে না। অল্প পড়েই যেহেতু ভালো পাশের ব্যবস্থা হচ্ছে, কেন তারা অতিরিক্ত পড়তে যাবে?

(৩) দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক যেহেতু নেই, পুরো কমিউনিকেটিভ পদ্ধতিতে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে না কোথাও। শুধু ঢাকা বা অন্য কোন বড় শহরের দু-একটি স্কুলে হচ্ছে। তাও সব টিচারের ক্লাসে হচ্ছে না ।

(৪) ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে আগে আলাদা প্যাসেজ দেয়া থাকতো, সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা কিছু ভাষা গ্রহণ করতে পারতো, গত কয়েক বছর যাবত গ্রামার চালু করায় শিক্ষার্থীদের পাশের সুবিধে হয়েছে, ভাষার সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ এতে আরও কুঞ্চিত হয়েছে। বুঝে বা না বুঝে আর্টিকেলের ঘরে এ অথবা দ্যা বসিয়ে দিচ্ছে, কিছু হচ্ছে, কিছু হচ্ছে না। তাতে পাশ করা কিংবা ভালো গ্রেড পাওয়া তেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না ।

শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ইংরেজি বলছেনা কেন?

(১) কালচারাল ব্যারিয়ারের কারণে ও লাজুক বলে ।

(২) ক্লাসে ইংরেজি না বলেও কোন অসুবিধা হচ্ছে না ।

(৩) ক্লাসের বাইরে তাকে ইংরেজি বলতে হচ্ছে না বা বলার সুযোগও নেই। অতএব ক্লাসে কেন বলবে?

(৪) ক্লাসে শিক্ষক ইংরেজি বলছেন না। শিক্ষক বললে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত বোধ করতেন। কিন্তু গ্রামের কোন স্কুলে ইংরেজি শিক্ষক এখনও ইংরেজি বলছে না অনন্য ব্যতিক্রম ছাড়া। ঢাকায় কোন কোন স্কুলে কিছু কিছু শিক্ষক ইংরেজি বলছেন কিন্তু শিক্ষার্থীদের দ্বারা বলাচ্ছেন না এখনও।

লেখার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর শিক্ষার্থীদের কম্পোজিশন লিখতে হয়। এবার যেটি আসবে, আগামী বছর সেটি আর আসবে না। ছাত্রছাত্রীরা যে কোন সুত্র থেকেই ঐ লেখা সংগ্রহ করে, মুখস্থ করে লিখতে পারে এবং করছেও তাই। নিজ থেকে লেখার কোন চেষ্টা, বা উৎসাহ কিংবা কোন ধররেন ইনসেনটিভ নেই বলে ছাত্রছাত্রীরা কখনও নিজ থেকে লেখার কথা চিন্তাই করে না। অথচ কমিউনিকেটিভ ইংরেজি চালু করার মুখ্য উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে এটি একটি। ঢাকার কিছু কিছু ভালো স্কুল আছে। টিচাররা কম্পোজিশন ক্লাসে লিখে দেন পরীক্ষার কয়েকদিন আগে। ছাত্রছাত্রীদের ওগুলোও খাতায় লিখতে হয়, বাইরে থেকে লিখলে নম্বর দেন না। এটি সাধারণত ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণীতে ঘটে। ব্যক্তিগত ও বাস্তবজীবনে ইংরেজি ফলপ্রসূভাবে ব্যবহার করার জন্যই কমিউনিকেটিভ ইংরেজির প্রচলন হয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে কোন পরিবর্তন এখনও দেখা যাচ্ছে না।একটি গল্প পড়ে তার উত্তর দিতে হলে শিক্ষার্থীরা বিবৃতিমূলক বাক্যের ব্যবহার শিখতে পারে, প্রশ্ন যদি অতীতকালে করা হয়, উত্তর সেভাবে দিতে হবে। কিন্তু এই বিষয়টি তারা এখনও ঠিকমত পারছে না ।

যা করা দরকার

১. দ্বিতীয় পত্রে আলাদা প্যাসেজ থাকা দরকার বিদেশি বই কিংবা সংবাদপত্রের আর্টিকেল থেকে। তাহলে শিক্ষার্থীদের ভোকাবিউলারি অনেকটাই বাড়বে, নতুন নতুন বাক্য গঠনের সাথে পরিচিতি লাভ করবে। কিছুটা মজাও পাবে যেহেতু গল্প আকারে থাকবে প্যাসেজগুলো ।

২. এক্লুসিভ গ্রামার থাকা উচিত ২০ নম্বরের। বাকী ৮০ নম্বর কম্প্রিহেনশন ও লেখার আইটেম থাকা দরকার। লেখার মাধ্যমেই গ্রামার শিখবে শিক্ষার্থীরা। তারা যত বেশি ল্যাংগুয়েজ পড়বে তত বেশি ভোকাবিইলারি বাড়বে। আর ভোকাবিউলারি বাড়লে কমিউনেকেশনের দক্ষতাও বাড়াতে পারবে। পুরো কমিউনিকেটিভ পদ্ধতিতে ইংরেজি পড়ানোর শিক্ষক নেই, স্কুলের অবস্থা সেরকম নেই, পরীক্ষার পদ্ধতিও কমিউনিকেটিভ ল্যাংগুয়েজের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয় অর্থাৎ মুখস্থবিদ্যা এখনও চলছে এ অবস্থায় দ্বিতীয় পত্রে ইংরেজি কম্প্রিহেনশন থাকা দরকার। কম্প্রিহেনশনগুলো ভালো ভালো ইংরেজি গল্প থেকে নিতে হবে।

৩. বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে সরকার একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারে। পরিবর্তন আমাদের আনতেই হবে সেটি যত তাড়াতড়ি সম্ভব ততই মঙ্গল। কমিউনিকেটিভ ল্যাংগুয়েজ টিচিংয়ের ভালো দিকগুলো ব্যবহার করার জন্য ইংরেজি শিক্ষকদের উৎসাহিত করা, তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনে গ্রামার ট্রানস্লেশন মেথডের ভালো দিকগুলোও সন্নিবেশ করে ইংরেজি পড়ানোর ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবী।

লেখক: প্রোগ্রাম ম্যানেজার. ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি, পেইস। সাবেক ইংরেজি অধ্যাপক, ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, সিলেট কুমিল্লা, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ। ইমেইল: mmbillah2000@yahoo.com

2 COMMENTS

  1. I am very pleased with your writing. You have drawn some vital issues and recommendations which are very much cruitial and emergence for the current situation. but I am afraid and confused about one thing that you have addressed ‘reading & writing’ as productive skills and ‘listening & speaking’ as receptive skills. So far I learned that ‘speaking &writing’ are productive skills and ‘listening & reading’ are receptive skills. Have request to make the things clear to the readers like us so that we have no confusion. thanks a lot for this type of important writing on a current issue.

Tamanna শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন Cancel reply

Please enter your comment!
Please enter your name here