বাংলাদেশের শিক্ষা-শুদ্ধস্বর-সাইড লোগো
বাংলাদেশের শিক্ষা-শুদ্ধস্বর-সাইড লোগো


সম্পাদক: প্রিয় লেখক ও পাঠক, বাংলাদেশের শিক্ষাবিষয়ক ওয়েব সাইট ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ এবং প্রকাশনা সংস্থা ‘শুদ্ধস্বর’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ ওয়েব সাইটে প্রকাশিত শিক্ষাবিষয়ক সেরা লেখাকে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পুরস্কৃত করার উদ্যোগের বর্তমান প্রান্তিকে অর্থাৎ ২০১৩ সালের জুলাই – সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মুশফিকুর রহমান। এ সময়ের মধ্যে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ ওয়েব সাইটে প্রকাশিত লেখাগুলো থেকে তিনি সেরা লেখাটি বাছাই করবেন এবং কেন তাঁর দৃষ্টিতে লেখাটি সেরা তাও তিনি ভিন্ন একটি লেখার মাধ্যমে জানাবেন। যদিও ইতোপূর্বে পুরস্কারের নিয়মাবলী জানানো হয়েছিল, লেখক ও পাঠকদের জ্ঞাতার্থে তা পুনরায় প্রকাশ করা হলো।

নিয়মাবলী

১. প্রতি বছরকে চার ভাগে ভাগ করে অর্থাৎ জানুয়ারি-মার্চ, এপ্রিল-জুন, জুলাই-সেপ্টেম্বর, অক্টোবর-ডিসেম্বর- এই তিনমাস প্রান্তিকে প্রকাশিত লেখাগুলো ত্রৈমাসিক পুরস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হবে। সেখান থেকে একটি লেখাকে চূড়ান্তভাবে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হবে। প্রতি বছর এরকম চারটি পুরস্কার দেওয়া হবে। কোনো লেখকের একাধিক লেখা এ সময়ের মধ্যে প্রকাশিত হলে সবগুলো লেখাই প্রাথমিক বাছাইয়ে থাকতে পারে।

শুদ্ধস্বর-বাংলাদেশের শিক্ষা ত্রৈমাসিক সেরা লেখা পুরস্কার
শুদ্ধস্বর-বাংলাদেশের শিক্ষা ত্রৈমাসিক সেরা লেখা পুরস্কার

২. সেরা লেখার লেখককে পুরস্কার হিসেবে ৫০০ টাকার বই উপহার দেয়া হবে। ‘শুদ্ধস্বর’ থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের বই লেখককে সরাসরি অনুষ্ঠান বা কুরিয়ারের মাধ্যমে লেখকের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

৩. শিক্ষাবিষয়ে সরাসরি কাজ করছেন কিংবা শিক্ষার নানা বিষয় সম্পর্কে সম্যক অবগত- এমন একজন বিচারক প্রতিটি লেখা পড়ে তিনমাসের সেরা লেখা মনোনীত করবেন। সেরা লেখা মনোনীত করার পর বিচারক সেই লেখার ওপর বিস্তারিত মতামত প্রকাশ করবেন যা ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হবে। সেরা লেখার ব্যাপারে বিচারকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

৪. বিচারক নিজেই যদি ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ ওয়েব সাইটে লিখেন, তাহলে তাঁর লেখাসমূহ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হবে না। তাছাড়া ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ এবং ‘শুদ্ধস্বর’-এর সাথে সংশ্লিষ্ট কারোর লেখা পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে না।

৫. প্রতি বছরের পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখা এবং সেই লেখার ওপর বিচারকের মতামতসমূহ পরবর্তী সময়ে ইবুক আকারে প্রকাশ করা হবে।

বিচারকের পরিচিতি

জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৩ প্রান্তিকে বিচারকের দায়িত্ব পালনকারী মুশফিকুর রহমানের পরিচিতি নিচে দেয়া হলো।

মুশফিকুর রহমান
মুশফিকুর রহমান

মুশফিকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে এমএড এবং বিএড (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি পেশাগত জীবন শুরু করেন অঙ্কুর আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এআইডিএফ)-এ মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে। পরবর্তীতে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সেকায়েপ প্রজেক্টে কিছুদিন মাস্টার ট্রেইনার হিসাবে কাজ করার পর পুনরায় এআইডিএফে যোগদান করেন কনটেন্ট রাইটার হিসাবে। পরে একই প্রতিষ্ঠানে প্রোগ্রাম অফিসার হিসাবে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রজেক্টে ট্রেনিং কোঅর্ডিনেটর হিসাবে কর্মরত আছেন।

শিক্ষা বিশেষ করে শিক্ষায় আইসিটি নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। এছাড়াও শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে সরাসরি কাজ করার অভিজ্ঞতাও তাঁর আছে। বর্তমানে কাজ করছেন ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার দ্বিতীয় সুযোগ নিয়ে। এই কাজের সুবাদে তিনি মাঠপর্যায়ে শিক্ষার বর্তমান হালচালের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তার ইচ্ছে শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কাজ করার। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষাকে সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়া এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা তার দীর্ঘদিনের।

তিনি ২০০৬ সাল থেকে সরাসরি লেখালেখির সাথে যুক্ত। এই সময়ে তিনি সমকালের ‘কুড়ির পরে’ পাতায় লেখালেখি করতেন। এছাড়া ২০১১ সালে এআইডিএফ থেকে প্রকাশিত ‘কম্পিউটার শিক্ষা’ সহায়ক বইটির রচনার সাথে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত সিসনোভা ইনফরমেশন সিস্টেম লিমিটেড (সিসনোভা)-এর আর্থিক সহায়তায় Jason R. Briggs এর ‘Snake Wrangling for Kids, Learning to Program with Python’ বইটির অনুবাদেও একজন অনুবাদকারী হিসাবে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটেও নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন। তার লেখায় শিক্ষা ও আইসিটি বিষয়ক নানান কথা উঠে
এসেছে।

আমাদের এই উদ্যোগ বা পুরষ্কার সম্পর্কে আপনাদের কোনো প্রশ্ন, মতামত বা পরামর্শ থাকলে এখানে জানাতে পারেন। আশা করছি, এই উদ্যোগে আপনাদেরকে আমরা সাথে পাবো। ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here